বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
ব্রেকিং নিউজ
সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত এনকাউন্টার গাইঘাটা ধর্ষণ কাণ্ডে এনকাউন্টার করে অভিযুক্তের মৃত্য়ু সরশুনা কাণ্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ একই দিনে জোড়া এনকাউন্টার রাজ্য়ে

নৈহাটির বড়মার পুজোয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ৬ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ মূল মন্দির দর্শন

28 October, 2026 10:52 AM Lopa Bhowmik
শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, নৈহাটি:‌ গত বছর বড়মার পুজোয় হাজির হয়েছিলেন কয়েক লক্ষ ভক্ত। তার মধ্য্যে শুধু দণ্ডিই কেটেছিলেন লক্ষাধিক মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর সেই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। সেই কথা মাথায় রেখেই পুলিশি নজরদারির পাশাপাশি নামানো হচ্ছে পাঁচশোর বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও এনসিসি ক্যাডেট। ভিড়ের মধ্যে বড় গাড়ি ঢোকার সমস্যা থাকায় জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বিশেষ ‘‌টোটো অ্যাম্বুল্যান্স’‌।
মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্দির কমিটির পক্ষে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের পূর্ণ নজরদারিতেই হবে গোটা আয়োজন। আগামীকাল, ২৯ অক্টোবর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পুরসভা, মন্দির কমিটি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির উচ্চপর্যায়ের একট বৈঠক হওয়ার কথা। তার পরেই সুরক্ষাবিধির চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষিত হবে। জানানো হয়েছে ওই দিনই বড়মার মন্দিরের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস। রীতি মেনে পুজোর পর দুপুর দুটো পর্যন্ত দর্শনার্থীরা বড়মার পুজো দিতে পারবেন। তবে হোমযজ্ঞ চলাকালীন পুজো বন্ধ রাখা হবে। তখন মনুষ বিগ্রহ দর্শন করতে পারবেন, পাবেন ভোগও।
মন্দির কমিটি জানিয়েছে, ভক্তদের দান করা সোনা–দানা ও প্রণামী জমা নেওয়া হবে ২–৭ নভেম্বর পর্যন্ত। ৭–৮ নভেম্বর গ্রহণ করা হবে পুজোর জন্য দেওয়া ফল ও মিষ্টি। এ বছর থাকছে অনলাইনে পুজো দেওয়ার ব্যবস্থাও। প্রসাদ বিতরণের জন্য রেললাইনের উল্টো দিকে বিশেষ কাউন্টার খোলা হচ্ছে। বড়মার পুজো উপলক্ষে স্থানীয় বাসিন্দা, নিত্যযাত্রী। ফেরিঘাটের পথচলতি মানুষকে যাতে অসুবিধেয় পড়তে না হয়, তার জন্য খুব শিগগিরই তৈরি হবে একটি আলাদা ট্র্যাফিক রুটম্যাপ।
বড়মার মন্দিরের পুজোর সবচেয়ে বড় রীতি হল দণ্ডি কাটা। এবার দণ্ডি কাটার ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট সময়সীমা। ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হবে দণ্ডি। এরপর ৮ নভেম্বর সন্ধে ৬ টার মধ্যে তা শেষ করতে হবে। মন্দির কমিটির মুখপাত্র অনন্ত চট্টোপাধ্যায় ও যুগ্ম সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অনিবার্য কারণে নির্দিষ্ট সময়ের পরে কোনও ভক্ত এলে তাকে অবশ্যই মানতে হবে পুলিশি নির্দেশিকা। দণ্ডি কাটার লাইনে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার জন্য রাখা থাকবে বিশেষ উদ্ধারকারী দল। অরবিন্দ রোড ও তার আশেপাশের মোড়গুলিতে থাকবে আইসিইউ ও সাধারণ অ্যাম্বুল্যান্স। এদিকে মন্দিরের সামনে পৌঁছনোর জন্য সরু গলির মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্স প্রবেশের অসুবিধে থাকায় চারটি টোটো অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মজুত রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত ওআরএস, জীবনদায়ী ওষুধ এবং চিকিৎসক দল। মহিলাদের সুরক্ষায় মোতায়েন থাকবে প্রচুর মহিলা পুলিশও।

প্রতিবেদন

Lopa Bhowmik